

Happythankyoumoreplease (2011)
নিউ ইয়র্কের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ছবি প্রজন্মের সন্ধিক্ষণকে তুলে ধরে। এখানে তারুণ্যের চিরাচরিত তিক্ততা পরিহার করে, ভালোবাসার সংজ্ঞা খুঁজতে ব্যাকুল একদল যুবক। ছয়জন নিউ ইয়র্কবাসী প্রেম, বন্ধুত্ব, এবং ক্রমশ কঠিন হয়ে ওঠা বাস্তবতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়ছে। এদের মধ্যে স্যাম ওয়েক্সলার নামক এক লেখক একটি বিশেষ খারাপ দিনের সম্মুখীন হয়। মেট্রোতে একটি ছেলে তার পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে, স্যাম তাকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনা থেকেই শুরু হয় এক জটিল, তবে ফলপ্রসূ বন্ধুত্বের যাত্রা। অ্যানি, যে নিজের ভাবমূর্তির কারণে সম্পর্কে জড়াতে দ্বিধা বোধ করে, চার্লি ও মেরি ক্যাথরিনের লস এঞ্জেলেসে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তাদের সম্পর্ককে পরীক্ষার মুখে ফেলে দেয়, এবং মিসিসিপি নামের এক ক্যাবারে গায়িকা স্যামের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। জীবনের এই জটিল পথে, তারা প্রত্যেকেই সংযোগ স্থাপন করতে চায়, ভালোবাসতে এবং ভালোবাসার কাঙাল হতে চায়। এই সিনেম্যাটিক আখ্যানটি সম্পর্কের গভীরতা এবং মানবীয় দুর্বলতাগুলোকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।







